খুনের পরে…! বিবাহবার্ষিকী উদযাপনের রাতেই মর্মান্তিক পরিণতি ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বার

বিয়ের প্রথম বার্ষিকীর রাতে বিহারের এক যুবতীর মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিয়ের পর থেকেই ওই যুবতী নির্যাতনের শিকার হচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, নির্যাতনের পেছনে ছিল পণ দাবি, যা নিয়ে গুড়িয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে মনোমালিন্য চলছিল।

গুড়িয়ার স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির লোকজন একটি বুলেট মোটরসাইকেল ও সোনার চেন দাবী করছিলেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে অনেকবার কথা কাটাকাটি চললেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

গুড়িয়ার বাপের বাড়ির লোকজন জানিয়েছেন যে, প্রথম থেকেই গুড়িয়ার ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু হয়েছিল। সম্প্রতি তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা হন তিনি, তবুও কোনো রকমের সহানুভূতি পাননি শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে।

পুলিশ ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এই ঘটনায় পরিবার ও সমাজে দুঃখের ছায়া নেমে এসেছে।

বাপের বাড়ির লোকেরা দ্রুত বিচার ও শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তারা চান, এমন নজিরবিহীন ঘটনা আর কারো জীবনে না ঘটে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top