বেলা গড়িয়ে বিকেল হতেই অধিকারী–বাড়ি শান্তিকুঞ্জের সামনে ভিড় জমতে থাকে। দলীয় কর্মী সহ বহু সমর্থক, পাড়া-পড়শি, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং পূর্বতন সহকর্মী ও বন্ধুরা সেখানে উপস্থিত হন।
সন্ধ্যার দিকে দিল্লি থেকে সুভেন্দু অধিকারীর পৌঁছানোর খবরে ঐ এলাকার উত্তেজনা বাড়তে থাকে। তাঁর বাড়িতে সবাই গিয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানানোর জন্য উন্মুখ ছিলেন।
এই জমায়েত এবং উত্তেজনার মূলে সুভেন্দু অধিকারীর রাজনৈতিক ভূমিকার প্রতি জনসমর্থন মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। শীঘ্রই এলাকায় তাঁর আসার খবরে সমর্থকরা স্লোগানের মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
অনেকে সুভেন্দু অধিকারীর কাছে তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা জানতে চান এবং দলীয় কর্মকাণ্ডের আপডেট পেতে চান।